শুক্রবার, ০৩ Jul ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভোজ্যতেলের মিলগুলোতে তদারকিতে আসে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় খতিয়ে দেখা হয় সিটি ও এডিবল অয়েল মিলের উৎপাদন, মজুদ ও সরবরাহ।
অভিযানে ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তারা জানান, ১৫ দিন আগের এসও’তে আর তীর ব্র্যান্ডের তেল সরবরাহ করছে না সিটি গ্রুপ। এছাড়া মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
রূপচাঁদার কারখানায় গিয়ে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমানোর চিত্র দেখতে পায় ভোক্তা অধিকার। মিলটি ফেব্রুয়ারি মাসে ১৪ হাজার লিটার বাজারে সরবরাহ করলেও, মার্চে করে মাত্র ৮ হাজার লিটার সয়াবিন তেল। মজুদ ভালো হলেও, কেন সংকট তৈরি হলো, তার সন্তোষজনক উত্তর নেই প্রতিষ্ঠানটির কাছে।
ভোক্তা অধিকার বলছে, সোমবার থেকে কড়া নজরদারিতে থাকবে রূপচাঁদার কারখানা। ব্যবস্থা নেয়া হবে ঢাকার মৌলভীবাজারের মজুদদারদের বিরুদ্ধেও। তবে,তীর ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে কোন অনিয়ম পায়নি ভোক্তা অধিদপ্তর।
এদিকে, চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের ভোজ্যতেল কারখানাতেও অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিদপ্তর। কারখানায় সবকিছু স্বাভাবিক বলে জানায় সংস্থাটি।
এছাড়াও আগামীকাল সোমবার থেকে প্রতিদিন রূপচাঁদা ব্র্যান্ডের বাংলাদেশ এডিবল অয়েল মিলে একজন কর্মকর্তা তদারকি করবেন বলেও জানায় ভোক্তা অধিকার।
সরকারিভাবে তদারকি বা অভিযান যাই হোক না কেন ভোক্তারা চায় কম দামে পণ্য কিনতে। শুধু সংকটকালীন সময়ে নয় সারা বছরই বাজার যেন স্বাভাবিক থাকে সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি তাদের।
এদিকে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে টিসিবির পণ্য কিনছেন সাধারণ মানুষ। রোদ ও গরম উপেক্ষা করে পণ্য কিনতে ট্রাকের সামনে ভিড় করেন তারা। এসময় কার্ডের মাধ্যমে কম দামে পণ্য কিনতে পেরে সন্তুষ্টি জানান ক্রেতারা। তবে সপ্তাহে একদিনের পরিবর্তে দুইদিন টিসিবির পণ্য বিক্রির আহ্বান জানান তারা।